মেশিন লার্নিং, ভিজ্যুয়ালাইজড

লিনিয়ার রিগ্রেশন থেকে নিউরাল নেটওয়ার্ক — ইন্টারেক্টিভ উদাহরণ সহ এমএল শিখুন।

মূল ধারণা
মেশিন লার্নিং (Machine Learning) কী?
কম্পিউটারকে গতানুগতিক বা নির্দিষ্ট কোনো নিয়ম শেখানোর বদলে বিভিন্ন উদাহরণের সাহায্যে শেখানো
→
মেশিন লার্নিং (Machine Learning)-এর ধরনগুলো
তিনটি ক্লাসরুম ও তিনটি শেখার ধরন — সুপারভাইজড (supervised), আনসুপারভাইজড (unsupervised) এবং রিইনফোর্সমেন্ট (reinforcement)
→
ফ্রিচার এবং লেবেল (Features & Labels)
রান্নার আইটেমগুলো হলো ফিচার আর খাবারের নামটি হলো লেবেল — আপনার মডেলকে শেখান যে তার কোন কোন উপাদানের দিকে নজর দিতে হবে এবং এর ওপর ভিত্তি করে কী অনুমান করতে হবে
→
ট্রেইন-টেস্ট স্প্লিট (Train-Test Split)
বাসার কাজ বা হোমওয়ার্ক দিয়ে প্র্যাকটিস করানো এবং নতুন প্রশ্ন দিয়ে পরীক্ষা নেওয়া — এ কারণেই আপনার ডেটাকে আলাদা করা বা স্প্লিট (split) করা খুবই জরুরি
→
ওভারফিটিং এবং আন্ডারফিটিং (Overfitting & Underfitting)
গোল্ডিলকস এবং তিনটি মডেল — একটি খুব সাধারণ, একটি অনেক জটিল, আর অন্যটি একদম পারফেক্ট
→
কোর অ্যালগরিদম
লিনিয়ার রিগ্রেশন (Linear Regression)
আপনার ডেটাগুলোর মাঝখান দিয়ে সবচেয়ে ভালো বা পারফেক্ট একটি সোজা লাইন টানুন
→
লজিস্টিক রিগ্রেশন (Logistic Regression)
হ্যাঁ নাকি না? এমন একটি লাইন টানুন যা এদের দুজনকে আলাদা করতে পারে
→
কে-নিয়ারেস্ট নেইবোরস বা প্রতিবেশীরা (K-Nearest Neighbours - KNN)
আপনার সবচেয়ে কাছের প্রতিবেশীদের জিজ্ঞাসা করুন এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ বা মেজরিটির (majority) সাথে একমত হোন
→
ডিসিশন ট্রি (Decision Trees)
একটি ফ্লোচার্ট (flowchart) যা বুঝতে পারে যে ঠিক কোন প্রশ্নগুলো করা উচিত
→
রেন্ডম ফরেস্ট (Random Forests)
একসাথে অনেকগুলো গাছের বা ট্রিয়ের (trees) ভোট — উইজডম অফ দ্য ক্রাউড (wisdom of the crowd)
→
নিউরাল নেটওয়ার্ক
পারসেপ্ট্রন (Perceptron)
একটিমাত্র নিউরন — গুণ করা, যোগ করা আর সিদ্ধান্ত নেওয়া
→
নিউরাল নেটওয়ার্ক বেসিকস (Neural Network Basics)
লজিকের মতো নিউরনগুলো একে অপরের সাথে স্তরে স্তরে যুক্ত থাকে
→
ব্যাকপ্রোপাগেশন (Backpropagation)
এরর বা ভুলগুলো পেছনের দিকে প্রবাহিত হয় যাতে নেটওয়ার্কটি শিখতে পারে
→
অ্যাক্টিভেশন ফাংশন (Activation Functions)
ReLU, সিগময়েড (sigmoid), ট্যানএইচ (tanh) — অর্থাৎ নিউরনগুলোর অন/অফ (on/off) সুইচ
→
গ্রেডিয়েন্ট ডিসেন্ট (Gradient Descent)
সবচেয়ে নিচু পয়েন্ট বা বিন্দুটি খুঁজে পেতে পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নিচে নামুন
→
প্রায়োগিক এমএল
বায়াস বনাম ভ্যারিয়েন্স (Bias vs Variance)
খুব সাধারণ নাকি বেশি অগোছালো — এর মাঝামাঝি একটি পারফেক্ট জায়গা (sweet spot) খুঁজে বের করুন
→
ক্রস-ভ্যালিডেশন (Cross-Validation)
প্রতিটি ফোল্ডে (fold) টেস্ট করুন, যাতে কোনো ডেটাই নষ্ট না হয়
→
কনফিউশন ম্যাট্রিক্স (Confusion Matrix)
ট্রু পজিটিভস (True positives), ফলস অ্যালার্ম (false alarms) — অর্থাৎ যে বিষয়গুলো মাপা সবচেয়ে বেশি জরুরি
→
ফিচার ইঞ্জিনিয়ারিং (Feature Engineering)
কাঁচা বা র (raw) ডেটাকে পরিবর্তন করে এমন ইনপুটে পরিণত করা যা কোনো মডেল আসলেই ব্যবহার করতে পারে
→
রেগুলারাইজেশন (Regularization)
মডেলটি যাতে সৎ থাকে সেজন্য এর কমপ্লেক্সিটিতে (complexity) পেনাল্টি (penalty) দেওয়া
→
আনসুপারভাইজড লার্নিং
মডেল ডিপ্লয়মেন্ট
নৈতিকতা ও ন্যায্যতা